সুন্দরী মেয়েদের নিয়ে কবিতা

অনেকেই সুন্দরী মেয়েদের নিয়ে কবিতা পড়তে ভালোবাসেন। এই জন্য আজকের এই আর্টিকেল থেকে আপনি বিভিন্ন ধরনের মেয়েদের নিয়ে কবিতা পেয়ে যাবেন। যদি আপনার কবিতা পড়তে ভালো লাগে তাহলে আপনি একটি একটি করে সমস্ত কবিতা গুলি পড়তে থাকুন।

সুন্দরী মেয়েদের নিয়ে কবিতা

কবিতার নাম – ওগো মেয়ে সুন্দরী
কবি – ফাহিম ইসলাম

ওগো মেয়ে সুন্দরী ,
তোমায় দেখলে যে কেহই
বলবে সুন্দরী।
তোমার সুন্দর দু খানা হাত ,
তোমায় সুন্দর করেছে সত্যি।
তোমার মায়ারী দুটি চোখের
মায়ায় পড়বে যে কেউই।
তোমার ওই অপরুপ সৌন্দর্যে ভরা মুখ দেখে
যে কত যুবকের চোখের ঘুম হরণ হবে,
সেটার সংখ্যা আমার অজানা।
তবে, তুমি আমার নিকট,
সুন্দরী যতই হওনা কেন……..
সুন্দর মনের অধীকারী ,
কেউ, কখনই নও।।

সুন্দরী ললনা কবিতা

কবিতার নাম – সুন্দরী ললনা
কবি – জেবিন আক্তার

ও সুন্দরী ললনা!
রূপে তুমি অনন্যা,
চিত্রশিল্পীর প্রেরণা!
বন্ধুরূপে অদ্বিতীয়া!
তোমার সৌন্দর্যের
রহস্য বলনা!
বহুগুণে তুমি গুণান্বিতা
তবুও তুমি
অহংকারী না!
তোমার চোখে নেই
কোনো ছলনা!
আমায় সাথে
নিয়ে চলনা!
দুঃখ বেদনা
ভুলে যাওনা
ভালোবাসা নাওনা!
দূরে সরে যেওনা!
কাছে ডেকে নাওনা!
সুন্দর সময় কাটাও না!
আনন্দ উৎসবে মাতোনা!
কিছু সুখসৃতি রাখনা!
ক্ষণস্থায়ী মুহূর্ত
মধুর হোক না!
জীবনটা চিরস্থায়ী না!

ওগো সুন্দরী কবিতা

কবিতার নাম – ওগো সুন্দরী
কবি – আল আমীন

ওগো সুন্দরী!
তব তনু-ভরি লাবণ্য;
তব চঞ্চলা অঙ্গে
লহরীত সুষমায় লীলায়িত হিরণ্য।

আজ ত্রিদিবের অপ্সরী হ’য়ে আসিয়াছ তুমি,
মম ফোটান্ত-প্রেমের কোমল কুসুম চুমি—
করো গো মোরে চির-ধন্য।

ওলো চঞ্চলা!
অঞ্জলী ভরি লহ আমারি প্রেম,—
ওগো সুপর্ণা,
তব মঞ্জুল হাসিতে’ সিঞ্চিত প্রেমের হেম;
—এসো, আরো কাছে এসো’ মম—বক্ষে রাখো গো মাথা।
মোরে দা’ন তব মাধূরী, কেটে দিই তব অঞ্জন-কবরীতে সিঁথা।

…বক্ষে রাখো গো শির;
ঝরাও—প্রেমের অশ্রু-নীর;
আজ, মুক্তির নয়া নিশায়’
প’ড়ে তব ভালোবাসায়,
লভেছি আঁধার,
লভেছি প্রেম—হিরণ্য।

প্রেমিকার সৌন্দর্য নিয়ে কবিতা

কবিতার নাম – রুমার একটি ছবি
কবি – সরল আমিন শেখ

দুটি মেয়ের মাঝখানে দাড়িয়ে ছিল রুমা,
হাত ছিল তার কানের কাছে আকাশী রঙ্গের জামা।

ঠোটেতে লিপস্টিক ছিল ,কানে ছিল দুল।
দক্ষিনা বাতাসে যেন উরছিল তার চুল।
অদ্ভুত এই রুপ আমায় করাই শুধু ‍ ভূল।

ডাগর ডাগর চখ যে তাহার আদো আদো হাসি।
প্রাণ খুলে বলতে চাই আমি তারে ভালোবাসি।

এই রকম রুপ কখনও দেখিনাইকো আগে।
তাইতো তারে দেখে মনে ভালোবাসা জাগে।

হাতে একটা ঘরি ছিল গলায় আইডি কার্ড।
তাকে দেখে তাজা হল আমার এই হার্ট।

ছবিটা ছিল খুবই সুন্দর ,ঠিক আমার কল্পনার মত।
ডুবে যায় তারই মাঝে দেখি সেটা যত।

প্রেমিকার রূপ নিয়ে কবিতা

কবিতার নাম – তোমাকে নিয়ে লেখা কবিতা
কবি – মোঃ আব্দুল্লাহ্ আল মামুন

তোমার নাম নিয়ে ,
শব্দগুলো একসাথে হল ,
সুন্দর একটা কবিতা লেখা হল ।

কত মধু এসে একাকার হল সেখানে।
আমাকে কবি করেই ছারলো তোমার প্রেম।
তোমাকে নিয়ে লেখা কবিতা ।

কত ভাষা প্রকাশ করলো এখানে ।
এই মনের ভিতরে।
বুকের বাম পাশে ,
মস্তিস্কের এই ভাবনার অংশে।

কত আবেগ জমা হয়ে আছে ,
বলার মত অনেক মানুষ আছে।
অনকের কাছেই বলতে পারি ইচ্ছা করলেই।
তবে শুনবার মত কান তাদের নেই।

নেই আবেগ গুলোকে বুঝবার মত মন।
নেই এমন মানুষ তোমার মত।
যার কাছে বলার সুযোগ থাকবে ।

মনের কবিতা গুলো .
কবিতার মত করে, ছন্দ আকারে।
তুমি যে কবিতা করেছ সৃষ্টি ,
হে আমার প্রিয়া ,
যে ছন্দ সব সুখ দুঃখকে ভুলিয়েছে।

মানস রূপী দেবী ছন্দে সুরভি ।
কে হবে তোমার মত মায়াবী?
সেই স্বপ্নে বিভোর রাখাল কবি।
তার মনে তোমার কবিতার ছবি ।
বার বার ছন্দের খেলা করে।
বার বার অজানাতে মরে ।
আবার নেয় জন্ম ,সেই নতুন কবিতা হয়ে
জন্ম নেয় নতুন যৌবন নিয়ে।

তোমাকে নিয়ে একটা কবিতা লেখেছি ।
তোমাকে কবিতার মত করেই দেখেছি।
বার বার দেখেছি সুরভি।
ছন্দে ,আবৃতিতে , বজ্রকথনে।
বার বার তোমার রূপ দেখেছি।
কাব্যময় এই জীবনে,,
বাংলার প্রতিটা কবির আগমনে,

যে কবি এই পথে রোজ হেটে যায়।
একটি কবিতার বহর নিয়ে ।
কাধে ঝুলানো কবিতার খাতা বহনকারী থলে।
মুখে মিষ্টি হাসি ,
আমি তার মিতালি শব্দে লিখেছি কবিতা ।
তার অন্তর হতে বের হয়ে আসা শব্দ দিয়ে ।
তোমাকে নিয়ে একটা কবিতা লিখেছি সুরভি।
একটা ভালবাসার কবিতা।

সেই মৃগ হরিণীর চোখের তৃষ্ণা হতে শব্দ ধার করে।
সাইবেরিয়ার মায়াবিনী প্রেমিকার চোখের কবিতা হতে
এনেছি প্রেমময় ছন্দ ,
আর রাখালের বুক হতে এনেছি প্রেম।
তোমার নামে লিখেছি কবিতা ।
যে কবিতা মায়াবী সাগরে ঢেউ খেলে।
সাহসী নাবিকের জাহাজের গতির সাথে।
তার অন্তরে খেলা করে সে কবিতা।

তোমাকে নিয়ে একটা কবিতা লিখেছি প্রিয়া।
বলেছি মনের সব কথা কবিতাতে।
যে শব্দগুলো আঁকা ছিল—
মিশরের বুকে শুয়ে থাকা কবির বুকে।

যে কবিতারা ইতিহাস গড়েছে বার বার।
মেসোপটেমীয়ার রাস্তাতে হেটেছে হাজার বার
গ্রীক কবিদের বুকে যে কবিতা ঘুমিয়ে ছিল।
আমি সে কবিতার শব্দ করেছি চুরি।
কবির অনুমতি না নিয়েই।
তোমাকে নিয়ে একটা কবিতা লিখেছি সুরভি
তোমার নাম লিখে দিয়েছি সেই সব কবিতার বুকে।

একটি কবিতা লিখেছি।
ফরাসির রসবোধ এনেছি কবিতার প্রাণে।
পারস্য হতে একটা কবিতার বাক্য।
পথ ভুল করে চলে এসেছে,
সদস্য হয়ে গেছে তোমার নামের কবিতার।
তোমার রূপ তাকে করেছে মুগ্ধ
সে এখন তোমার নামে গড়বে স্মৃতিস্তম্ভ
কবিতার কাব্য রসে আপন রক্তে।

মেয়েদের জন্য কবিতা

কবিতার নাম – একটি মেয়ের জন্য
কবি – রুদ্র গোস্বামী

একা ফুটপাথ
আলো ককটেল
ভিজে নাগরিক রাত পদ্য।

তুই হেঁটে যাস
কাঁচ কুয়াশায়
জল ভ্রূণ ভাঙা চাঁদ সদ্য।

আমি প্রশ্ন
তুই বিস্ময়
চোখ চশমার নীচে বন্ধ।

ঠোঁট নির্বাক
চাওয়া বন্য
আমি ভুলে যাই দ্বিধা দ্বন্দ্ব।

জাগা রাত্রি
ঘুম পস্তায়
মোড়া রূপকথা পিচ রাস্তা

পোষা স্বপ্ন
ছিঁড়ে ছারখার
প্রিয় রিংটোন লাগে সস্তা।

তুই সত্যি
আরও সত্যি
তুই শিশিরের কুঁড়ি পদ্ম।

বাকি মিথ্যে
সব মিথ্যে
চেনা চার দেয়ালের গদ্য।

মেয়েদের জীবন নিয়ে কবিতা

কবিতার নাম – একা
কবি – বীথি চট্টোপাধ্যায়

আমার চোখে বসন্ত দারুণ চৈত্রমাস
চতুর্দিকে শিমূল-পলাশ কৃষ্ণচূড়ার ত্রাস।

ঝড় উঠেছে নিখুঁত কালো বৃষ্টি ভেজা রাত
আঁচল দিয়ে দুঃখ ঢাকি কোথায় তোমার হাত ?

তব্ধ যদি ভালোবাসা প্রেমের-কম্পন
ফিরিয়ে দাও কিশোরীকাল প্রথম চুম্বন।

ভালোবাসার আগুন ঝড়ে চাইনি কোনো দাম
অশ্রুবিহীন চক্ষু হল প্রেমের পরিণাম।

এই সময়েই ভিন্ন হলে এমন চৈত্রমাস
ভালোবাসার ফুটছে কলি, ফাল্গুন বাতাস!

এই যে চোখ এই যে প্রেম, এই যে হা-হুতাশ
এই বসন্তে দেবো কাকে প্রেমের আস্বাস ?

আমার চোখে বসন্ত দারুণ চৈত্রমাস
ভালোবাসা বাসার পরে, ভাঙলে বিশ্বাস!

কবিতার নাম – মেয়েটা
কবি – মোনালিসা

ও মেয়ে, কে বলে গো নষ্ট তুমি?
যারা বলে নষ্ট তুমি,
তারা ঠিক তেমন-
আমাদের টিয়া পাখি যেমন।
আমাদের টিয়া পাখি- টুসি,
কথা শেখাই তাকে যেমন খুশি।
সেও শেখে আর বলে অবিরত,
ভুলগুলোকেও বলে চলে ক্রমাগত;
ভুল-ঠিক বুঝবেই বা কিকরে?
সে কি চিন্তা করতে পারে
মানুষের মতো করে?
সত্যি মানুষ কিন্তু তেমন নয়,
কোনোকিছু মেনে নেয়না শোনা মাত্রই।
কারন তাদের আছে অন্তরের গভীরতা,
আছে সত্যতা যাচাইয়ের ক্ষমতা,
আছে মানবতা………।

নষ্ট কথাটা খাদ্য আর দ্রব্যের জন্য,
হতে পারেনা তোমার-আমার কিংবা রাজুর জন্য;
অথবা যেকোনো মানুষের জন্য…
যদিও বা ধরে নিই,
তবে শুধুই তুমি নষ্ট কেন?
রাজু নয় কেন?
সেই রাজু, যে অত্যাচারিত হয়েছিল একদল গুণ্ডার দ্বারা…
তবে কি খাদ্য আর দ্রব্যের সাথে তুল্য মেয়েরাই?
তাও যদি হয়, তবু বলি-
তুমি তো আছো আগেরই সেই বাবলি।
নষ্ট যদি হয় কিছু, তা তো লাগেনা আর কোনও প্রয়োজনেই;
কিন্তু তুমি তো হারাওনি তোমার কোনও ক্ষমতাই।।

তাহলে ????????
নষ্ট আসলে কাকে বলে ??????????

উপসংহার

আশা করি আজকের এই ইনফরমেশন থেকে বিভিন্ন ধরনের মেয়েদের নিয়ে কবিতা পেয়ে গেছেন। এখানে যে সকল কবিতাগুলি নেয়া হয়েছে সেগুলি বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে কপি করে। যদি কোন ওয়েবসাইটের মালিক বা কোন কবির, কোন আপত্তি থাকে তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আমরা আপনার কবিতাটি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে মুছে দেব।

আরও পড়ুন

শেয়ার করতে চান!

আমি সঞ্জু রাউত। আমার বাড়ি কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ। আমি অন্যকে ইনফরমেশন দিয়ে সাহায্য করতে ভালোবাসি। তাই আমি এই ব্লগটি ওপেন করি, যার দ্বারা আমার সখ এবং অন্যকে সাহায্য দুটোই সম্ভব হয়।

Leave a Comment