ঘড়ি কে আবিষ্কার করেন – ঘড়ি আবিষ্কারের ইতিহাস

আজ পুরো পৃথিবী ঘড়ির কাটার দিকে তাকিয়ে আবর্তন করছে। অর্থাৎ পৃথিবীর প্রতিটি মানুষ প্রতিটি কাজ ঘড়ির কাঁটা অনুযায়ী সময় মেপে করে থাকে। ঘড়ি আবিষ্কার এর আগে মানুষ সূর্যালোক এবং জল ঘড়ির সাহায্যে সময়ের অনুমান করত। তাহলে ঘড়ি ব্যবহার মানুষ কবে থেকে করছে? – এই প্রশ্নটি আপনার মনে উঁকি দিতে পারে।

এইজন্য আজকের আর্টিকেলে আমরা ঘড়ি আবিষ্কার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব।

যার মাধ্যমে আপনি ঘড়ি কে আবিষ্কার করেন, ঘড়ি আবিষ্কার হয় কত সালে, ঘড়ি আবিষ্কারের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবেন। তাই চলুন তৈরি না করে ঘড়ি আবিষ্কার এর সমস্ত তথ্য জেনে নেওয়া যাক।

ঘড়ি কে আবিষ্কার করেন?

1505 সালে, পিটার হেনলেন নামক এক ব্যক্তি সর্বপ্রথম ঘড়ি আবিষ্কার করেন। এবং তিনি এই ঘড়িটির নামকরণ করেন পোম্যান্ডার ওয়াচ। তিনি জার্মানির নিউবার্গ শহরে কাজ করতেন।

বর্তমান সময়েও এই ঘড়িটি এখনো এই একই ভাবে কাজ করে চলেছে। বর্তমানে এই ঘড়িটির মূল্য 50 থেকে 80 million dollars।

এই ঘড়িটি বক্স আকৃতির। এবং ঘড়ির মাঝের অংশ থেকে কাটাগুলি লাগানো হয়েছে। এই ঘড়িটি তামা ও সোনা দিয়ে তৈরি।

সর্বপ্রথম ঘড়ি কে আবিষ্কার করেন?

সর্বপ্রথম ঘড়ি আবিষ্কার করেন মিশরীয়রা। তারা প্রথম একটি কাঠি মাটিতে পুঁতে, সূর্যঘড়ি তৈরি করেন।

তারা প্রথমে একটি কাঠি মাটিতে পুঁতে রাখতেন এবং তার চার পাশে বিভিন্ন শব্দ লিখতেন। যার মাধ্যমে কঠির ছায়া এবং লেখা দেখা তারা সময়ের অনুমান করতে পারতেন।

ঘড়ি আবিষ্কারের ইতিহাস

ঘড়ির আবিষ্কারক শুধুমাত্র একজন ব্যক্তি নন। বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন ধরনের ঘড়ি আবিষ্কার করেন। এইজন্য প্রত্যেকটি ঘড়ি আবিষ্কারের পেছনে আলাদা ইতিহাস রয়েছে।

সূর্যঘড়ি, জলঘড়ি, বালুঘড়ি, বৈদ্যুতিক ঘড়ি এই সমস্ত ঘড়ির আলাদা ইতিহাস রয়েছে।

আপনি যদি নির্দিষ্ট ঘড়ির ইতিহাস জানতে চান, তাহলে সোজা wikipedia থেকে ইনফরমেশন নিতে পারেন। এখান থেকে আপনি ঘড়ি আবিষ্কারের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবেন।

উপসংহার

আশাকরি উপরের ইনফর্মেশন থেকে, সর্বপ্রথম ঘড়ি কে আবিষ্কার করেন এবং ঘড়ি আবিষ্কার হয় কত সালে – এই সম্পর্কে বুঝতে আপনার অসুবিধা হয়নি। যদি এখনও ঘড়ি আবিষ্কার সম্পর্কে আপনার মনে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আপনি কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।

Sanju

আমি সঞ্জু রাউত। আমার বাড়ি কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ। আমি অন্যকে ইনফরমেশন দিয়ে সাহায্য করতে ভালোবাসি। তাই আমি এই ব্লগটি ওপেন করি, যার দ্বারা আমার সখ এবং অন্যকে সাহায্য দুটোই সম্ভব হয়।

Leave a Comment