গিনেস বুক কি | গিনেস বুকে নাম লেখানোর নিয়ম

গিনেস বুকের (Guinness Book of World Records) নাম শোনেননি এমন ব্যক্তি খুব কমই আছে। তবে গিনিস বুক সম্পর্কে অনেকেরই, অনেক কিছু অজানা রয়েছে। এই জন্য আজকের এই আর্টিকেল থেকে আমরা গিনেস বুক সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর জানবো।

যেখান থেকে আপনি গিনেস বুক কি, গিনেস বুক মানে কি, গিনেস বুক উদ্ভাবক কে এবং গিনেস বুকে নাম লেখানোর নিয়ম – সম্পর্কে জানতে পারবেন। যদি আপনিও এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর জানতে চান তাহলে আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলটি পড়তে থাকুন।

গিনেস বুক কি?

Guinness-book হলো এক ধরনের গ্রন্থ বা পুস্তক। যার মধ্যে বিশ্বের সমস্ত কীর্তিমান ব্যক্তিদের সফলতা লেখা হয়ে থাকে।

কোন ব্যক্তি যে কোন বিষয়ের উপর কোন কিছু আলাদা করে সমস্ত পৃথিবীর নজর করলে তার নাম এবং তার কীর্তি এই বইয়ের মধ্যে লেখা হয়।

১৯৫৮ সালে এই বইটির সূচনা হয়। এবং ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত এই বইটির নাম রাখা হয় “দা গিনিস বুক অফ রেকর্ড”। এবং ১৯৯৮ সালে এই বইটির পুনরায় নামকরণ হয় “দা গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড”।

এই বইটি প্রতিবছর নতুন করে বিভিন্ন ব্যাক্তির বিশ্ব রেকর্ড করা কীর্তিকলাপ নিয়ে প্রকাশিত হয়ে থাকে।

এবং এই পুস্তকটি বিশ্বের ১০০ টি দেশের মধ্যে, ২৩ টি ভাষায় প্রতিবছর অর্থাৎ বর্তমান দিন পর্যন্ত, ৬৩ বছর প্রকাশিত হয়ে আসছে।

গিনেস বুক মানে কি?

Guinness-book হলো এক ধরনের গ্রন্থ বা পুস্তক। এর বাংলা মানে হল “বিশ্ব কীর্তিমান পুস্তক“। অর্থাৎ পুরো পৃথিবীর কীর্তিমান ব্যক্তিদের কাজ এবং তাদের নাম এই বইয়ের মধ্যে লিখে প্রকাশ করা হয়।

গিনেস বুক উদ্ভাবক কে?

প্রথম গিনেস বইটি 1955 সালের আগস্ট মাসে, লন্ডনের ফ্লিট স্ট্রিটের দুই যমজ ভাই নরিস এবং রস ম্যাকওয়াইটার দ্বারা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

গিনেস বুক কোথায়?

গিনেস বুক হলো এক ধরনের পুস্তক। তাই পুস্তকের কোন বাস্তব জায়গা বা স্থান নেই। এই বইটি প্রথম, লন্ডনের দুই জমজ ভাই দ্বারা প্রকাশিত করা হয়েছিল।

গিনেস বুকে নাম লেখানোর নিয়ম

গিনিস বুকে নাম লেখানোর জন্য আপনাকে প্রথমেই এই ওয়েবসাইটটিতে যেতে হবে।

https://www.guinnessworldrecords.com/account/register?ReturnUrl=%2Faccount

এরপর সেখানে আপনি আপনার বেসিক ইনফরমেশন গুলো দিন। যেমন নাম-ঠিকানা, দেশ, ইমেইল এড্রেস ইত্যাদি।

সাথে সাথে পাসওয়ার্ড দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট বানিয়ে নিন।

এরপর আপনার ইমেইল এড্রেসে গিয়ে, ওয়েবসাইট থেকে পাঠানো লিংকে ক্লিক করে একাউন্ট কনফার্মেশন করে নিন।

এরপর আপনি যে বিষয়ের ওপর রেকর্ড করতে যেন সেটা অনুসন্ধান করুন এবং তার পর, সেই রেকর্ড এর জন্য এপ্লাই করুন।

এবং বিভিন্ন ফর্মালিটি পালন করে, তাদের দেওয়া দুই এক জন সাক্ষী রাখুন আপনার রেকর্ড যাচাই করার জন্য।

এরপর আপনি রেকর্ডের স্থান অনুযায়ী সেখানে পৌঁছে গিয়ে আপনার রেকর্ড তৈরি করুন।

যদি আপনি নতুন রেকর্ড তৈরি করতে পারেন তাহলে সাক্ষী অনুযায়ী আপনার নাম গিনিস বুকে উঠে যাবে।

গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড

বিভিন্ন জিনিস ব্যক্তির গিনিস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ড দেখার জন্য আপনি, গিনিস বুক এর নিজস্ব ওয়েবসাইটে যেতে পারেন।

এর জন্য আপনি নিচে দেওয়া লিংকটির মধ্যে যান।

https://www.guinnessworldrecords.com/

এখানে আপনি বিভিন্ন ব্যক্তির ওয়ার্ল্ড রেকর্ড দেখার সাথে সাথে, আপনার নিজের যদি কোন দক্ষতা থাকে তাহলে আপনি ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

উপসংহার

আশা করি আজকের এই ইনফরমেশন থেকে গিনেস বুক কি (guinness book of world records), গিনেস বুক কোথায় এবং গিনেস বুকে নাম লেখানোর নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত বুঝতে পেরেছেন। যদি আর্টিকেলটি সম্পর্কে আপনার এখনও কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে আপনি কমেন্ট করে আমাদের জানাতে পারেন। আমরা কমেন্টের মাধ্যমে আপনাকে সাহায্য করার চেষ্টা করব। ধন্যবাদ ভালো থাকবেন।

শেয়ার করতে চান!

আমি সঞ্জু রাউত। আমার বাড়ি কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ। আমি অন্যকে ইনফরমেশন দিয়ে সাহায্য করতে ভালোবাসি। তাই আমি এই ব্লগটি ওপেন করি, যার দ্বারা আমার সখ এবং অন্যকে সাহায্য দুটোই সম্ভব হয়।

Leave a Comment