কাঠগোলাপ নিয়ে কবিতা | প্রেমের ও ভালোবাসার

আগের আর্টিকেল থেকে আমরা গোলাপ নিয়ে কবিতা পড়েছিলাম। আজকের এই আর্টিকেল থেকে আমরা কিছু কাঠগোলাপ নিয়ে কবিতা পড়ে নেব। অনেকেই আছেন যারা কাঠগোলাপ নিয়ে কবিতা পড়তে ভালোবাসেন। এইজন্য তাদের উদ্দেশ্যে আজকের এই আর্টিকেলটি লেখা হয়েছে। যদি আপনিও কাঠগোলাপের কবিতা ভালোবাসেন তাহলে আজকের এই আর্টিকেলটি থেকে একটি একটি করে কবিতা পড়ে নিন।

কাঠগোলাপ নিয়ে কবিতা

কাঠগোলাপ

ঠিক সন্ধ্যে নামে যখন
নীল পথের পাড়ে, নীল কমলের সুঘ্রাণ
ছড়ালে বালিকা; চলে যেতে গিয়েও
থমকে দাঁড়ায় বিকেলের রঙ,
আর আমার হাতের কাঠগোলাপেরা
খোঁজে ভালবাসা।

দেয়ালে দেয়ালে ছেড়া পোস্টার,
অদেখা অপেক্ষায় চেনা ফুটপাথ;
জীবনের গন্ধে থমকায় কাব্যের উপাখ্যান
আর মিঠে রাত মোহে মাতোয়ারা,
এক গুচ্ছ সাদা কাঠগোলাপ
দিলেম তোমায়।

পথের ওপাড়ে সাঝ নামে চুপটি করে,
এপাড়ের দমকা হাওয়ায় জাগে শিহরণ,
কেবল দলছুট তারারাই চেয়ে রয় অপলক;
শুভ্র কাঠগোলাপ সাজে কালো-কেশ আলো করে;
কুড়িটি আঙুল বোনে প্রেম
সহস্র কুড়ি সন্ধ্যে জুড়ে।

কাঠগোলাপ নিয়ে ভালোবাসার কবিতা

কাঠগোলাপ নিয়ে কবিতা

কবি মশাই ও কাঠগোলাপ

কবি মশাই তুমি জানো,
তোমাকে দেখে চোখ ক্লান্ত হয়না,
বিবর্ণ হয়না সুখ!
তুমি অদ্ভুত কবিতা প্রেমিক!
তোমার সাথে কথার পথে আলাপ,
কথায় কথায় পলাশের পাপড়িতে ভরে গেছে রাজপথ।
ভালোলাগার মোড়ে এসে বেঁকে গেছে গন্তব্যের দিক,
ফিরতি পথে তুমি এক বন্য আদিম নেশার ঝোঁক!
সত্যি বলছি মায়ের দিব্যি,
ছবির চেয়ে ঢের বেশি অভিব্যাক্তি তোমার চোখ!
যে চোখে উন্মুখ থাকে কবিতার শোক!
তোমার রাত্রির বাড়ি জীবনানন্দের পান্থশালা,
প্রেয়সী তোমার শব্দ তরঙ্গ,
চুলে বাঁধে সে প্যাচের খোপা,
গায়ে বাসন্তী শাড়ি,পায়ে নিক্কণ, গলায় ছন্দহার!
তার চোখে চোখ রেখে কাটে তোমার সন্ধ্যার অন্ধকার।
কবি মশাই তুমি জানো,
তোমার ঝাঁকড়া চুলের ঢেউয়ে রোজ হারায় কতো এলোকেশী মেয়ে।
অথচ তুমি কবিতার চিলেকোঠায় ঠায় দাঁড়িয়ে।
কবিতায় আছে নৈঃশব্দ্য বেনু যা চুপিসারে ইন্দ্রিয়াতীত স্রোতের নহর বইয়ে সৃষ্টির নেশায় মত্ত হবে,
তোমাকে দেবে কী? পরিতৃপ্তি?
সে গুড়ে বালি, তার কাছে আছে দহন ক্ষরণের ফালি!
কবি মশাই তুমি জানো,
কবিতা শুধু শব্দে বর্ণে হয়না রক্তে মাংসে ও হয়,
পার্থক্য শুধু তাকে কেউ কেউ কাঠগোলাপ কয়।

এটিও জেনে নিন -  সিএনজি কি | CNG এর পূর্ণরূপ কি | Full Form of CNG

কাঠগোলাপের কবিতা

কাঠগোলাপ নিয়ে কবিতা

স্নিগ্ধ কাঠগোলাপ

শতবার শুনেছি শেষের কবিতা রবি ঠাকুরের বিদায়
তারচেয়ে কঠোর করুন কারণ তোমার নিঃস্ব সময়,
কালের যাত্রার ধ্বনি শুনি বারেবার, প্রাণ হয় নির্ভয়।

অভিশাপ লিখে দুখুমিয়া কাজী কবেই গিয়েছে মরে
হায় প্রিয়া তুমি নীল হয়ে যাবে, সে’ কৃষ্ণ শাপের বিষে,
পাশেতে তোমার রইবোনা আর, বুঝবে সেদিন বুঝবে।

তেত্রিশ বছরেও সুনীলকে দেয়া কথা রাখেনি কেউ
সামাজিক শান্ত শেকল ভাঙ্গায় ব্যার্থ বরুনা নিজেও,
পুঁজিবাদী পাষাণে বলি ১০৮টার প্রতিটা নীল পদ্ম।

কবিতা চরণ কবির মরণ, নয়তো পাগল প্রলাপ
স্বপ্রভ তার অনুভভ যেন – স্নিগ্ধ কাঠগোলাপ…

কাঠগোলাপ নিয়ে প্রেমের কবিতা

কাঠগোলাপ নিয়ে কবিতা

প্রিয় কাঠগোলাপ

আমি তোমাকে বলেছিলাম হলুদ গোলাপ আমার খুব প্রিয়,
তবে তুমি বরাবরই আমাকে লাল গোলাপ দিয়ে এসেছো
আমি শুনেছিলাম কাঠ গোলাপ নাকি তোমার প্রিয়
তবে আমার কাঠ গোলাপ চেনা হয়নি কখনো ..
তোমার কাছে আমি একগুচ্ছ হলুদ গোলাপ আবদার করেছিলাম
অথচ তুমি মিথ্যে বলেছিলে আমাকে
বলেছিলে সারা শহরতলী খুজেছি সেদিন একটিও হলুদ গোলাপ মেলেনি
আমি তোমার কথা বিশ্বাস করেছিলাম
কতটা ভালবাসলে মানুষ মানুষকে বিশ্বাস করে যানো তো
আমি বুঝতে পারি নি তুমি ইচ্ছে করেই আমাকে হলুদ গোলাপ দাওনি
কেন দাওনি সেটা আজো আমার অজানা
তবে তোমার পছন্দের কাঠ গোলাপ
এখন প্রত্যেহ আমি দেখতে পাই,ছুঁতে পাই
কিন্তু আশেপাশে তুমি নাই
একটা বছর কেটে গেছে তবে ভালোবাসাটা একি রয়ে গেছে
আমার আর হলুদ গোলাপ পাওয়া হয় নি হয়তো সব আশা পূরণ হয় না তাই
তবে তুমি আমার কাছে বেঁচে থাকবে কাঠ গোলাপের মতোই ।

কাঠগোলাপ নিয়ে ছোট কবিতা

কাঠগোলাপ নিয়ে কবিতা

কাঠগোলাপ

কাঠগোলাপের হলুদ ছোঁয়ায়
আমি খুঁজে পাই তোমায়,
কাঠগোলাপের সাদার মায়ায় লেপ্টে রয়েছো তুমি,
কাঠগোলাপের প্রত্যেকটা পাপড়ি মনে হয় যেনো,
প্রত্যেকটা তোমার নামের অক্ষর।
কাঠগোলাপের মুক্ত সুবাসে,
আমি অনুভব করি তোমাকে।
কাঠগোলাপের স্নিগ্ধ চেহারায়,
তোমার মুখ ভেসে ওঠে।
কানের পাশে কাঠগোলাপ জরিয়ে রাখলে মনে হয় যেনো তুমি আমার কত নিকটে।।

এটিও জেনে নিন -  তারমিন নামের অর্থ কি | Tarmin Name Mening Bangla

উপসংহার

আশা করছি আজকের এই আর্টিকেলটি থেকে কাঠগোলাপ নিয়ে কবিতা পেয়ে গেছেন। এখানে যে সকল কবিতা গুলি দেওয়া হয়েছে সেগুলি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া হয়েছে এবং সেগুলি বিভিন্ন কবির লেখা কবিতা। যদি কোন কবি বা লেখক এর কোন সমস্যা থাকে তাহলে তিনি যেন আমাদের সাথে যোগাযোগ করেন। আমরা তার কবিতাটি এখান থেকে মুছে দিতে বাধ্য হব।

গোলাপ নিয়ে কবিতা পড়ুন।

Sanju

আমি সঞ্জু রাউত। আমার বাড়ি কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ। আমি অন্যকে ইনফরমেশন দিয়ে সাহায্য করতে ভালোবাসি। তাই আমি এই ব্লগটি ওপেন করি, যার দ্বারা আমার সখ এবং অন্যকে সাহায্য দুটোই সম্ভব হয়।

Leave a Comment